Primary Assistant Teacher Admit Card Download dpe.gov.bd

Primary Assistant Teacher Admit Card Download dpe.gov.bd. Primary Assistant Teacher Job Exam Date Admit Card. Primary Assistant Teacher Job Exam Date. Primary Assistant Teacher Job Exam Date published. Primary Assistant Teacher is now a attractive job circular in Bangladesh. Joining the smart and big service team of Primary Assistant Teacher.

 

Primary Assistant Teacher is now very dependable Govt. service team in Bangladesh. Primary Assistant Teacher Job Circular Related Notice and all information is found my website below .jobeducation24.com . Primary Assistant Teacher Admit Card

If you want to get regular update about Education and jobs on facebook, Like our facebook page Job Education BD & get latest update from our site. Join our Facebook Group to Get job update & discuss about Job related Topics

 

Primary Assistant Teacher Admit Card. Joining the smart and big service team of Primary Assistant Teacher. Primary Assistant Teacher Admit Card. At this moment Primary job is the best job in Bangladesh. And the Primary Assistant Teacher is a very attractive job for every people in Bangladesh. Primary Assistant Teacher Job Circular 2019. Primary Assistant Teacher Admit Card  Download Admit Card

Advertisement

Join our Facebook Group to Get job update & discuss about Job related Topics

 

 

Primary Assistant Teacher Admit Card Download Link

 

আবারো পূর্বঘোষিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি পরীক্ষা থাকায় এই নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৭ মে থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও হচ্ছে না।

 

মহাপরিচালক বলেন, আমরা এর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আগামী ১৭ মে থেকে পরীক্ষা শুরু করা সম্ভব হবে। কিন্তু ওইদিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি পরীক্ষা থাকায় নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। অন্য কোনো কারণে নয়। ১৭ মের নিয়োগ পরীক্ষা ২১ জুন নেয়া হবে। ৪ ধাপেই নিয়োগ পরীক্ষা শেষ হবে।

চূড়ান্ত প্রস্তুতি শেষ করতে না পারায় গত ২৮ এপ্রিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১৭ মে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

 

এর আগে ১০ মে এ পরীক্ষা নেয়ার কথা ছিল। তার আগেও আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-১৮’ লিখিত পরীক্ষা শুরুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মন্ত্রণালয়। তবে এসএসসি পরীক্ষার কারণে সেটি পিছিয়ে মার্চে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

গত ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের এক সভায় নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ শুরুর সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে ১৩ মার্চ ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯’ পালিত হওয়ায় ওই সময়ও পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, এবার নিয়োগ পরীক্ষা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তত্ত্বাবধানে নেয়া হবে। নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষার আগের রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো হবে। পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায় প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হবে। পৌর এলাকার মধ্যে এবার পরীক্ষা নেয়া হবে। আবেদনকারীর আসন বুয়েট অত্যাধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দেবে। একই সঙ্গে আবেদনকারীর আসন বণ্টন অনুযায়ী প্রশ্নের সেট নির্ধারণ করে দেবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার ২০ সেট প্রশ্ন তৈরি করা হবে।

 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। ১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। সে হিসাবে প্রতি আসনে লড়বেন ২০০ জন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার সর্বোচ্চ আবেদন জমা পড়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। এ জেলায় মোট ৯৮ হাজার ৯৬৯টি আবেদন পড়েছে। এরপরে ময়মনসিংহ জেলায় ৮৮ হাজার ২১৮টি, কুমিল্লায় ৮৪ হাজার ৭২৮টি, দিনাজপুরে ৬২ হাজার ৯৭১টি, রংপুরে ৫৯ হাজার ৭১টি, জয়পুরহাটে ১৮ হাজার ১৭৮টি, বগুড়ায় ৬৪ হাজার ৭২৭টি, জামালপুর ৫০ হাজার ৫০টি, যশোরে ৫৫ হাজার ৯৩২টি, টাঙ্গাইলে ৬১ হাজার ৬৩০টি, নওগাঁয় ৪৯ হাজার ৮৬৩টি, রাজশাহীতে ৫৭ হাজার ৩৮২টি, ঢাকায় ৬৪ হাজার ৫৫৮, বরিশালে ৬১ হাজার ৮৮৩টি, সিলেট জেলায় ৫০ হাজার ৩৭০টি আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া চাঁপাই নবাবগঞ্জে ৩০ হাজার ২৭১টি, নাটোরে ৩৫ হাজার ২৫৭টি, সিরাজগঞ্জে ৫৮ হাজার ১৪৯টি, পাবনায় ৫১ হাজার ২৩১, কুষ্টিয়ায় ৩২ হাজার ৬০৯টি, মেহেরপুরে ১০ হাজার ৮৮৮টি, চুয়াডাঙ্গায় ১৮ হাজার ৬৬১টি, ঝিনাইদহে ৩৭ হাজার ৬১৭টি, মাগুরায় ২১ হাজার ৯৬২টি, নড়াইলে ১৫ হাজার ৬১৪টি, সাতক্ষীরায় ৪৫ হাজার ৬১টি, খুলনায় ৪৭ হাজার ১৮৮টি, বাগেরহাটে ৩২ হাজার ৯৭টি, শেরপুরে ২৫ হাজার ৪৬৬টি, নেত্রকোনায় ৪২ হাজার ৭৫৩টি, কিশোরগঞ্জে ৪৭ হাজার ৮৮৫টি, গাজীপুরে ৩৫ হাজার ৫১৭টি, নরসিংদীতে ৩৮ হাজার ১৪৩টি, মানিকগঞ্জে ২৫ হাজার ৭১১টি, নারায়ণগঞ্জে ২৭ হাজার ১২৭টি, মুন্সীগঞ্জে ১৮ হাজার ৭৫৯টি, রাজবাড়ীতে ২১ হাজার ৯০৬টি, ফরিদপুরে ৩৩ হাজার ৬৪৩টি, মাদারীপুরে ২৪ হাজার ৮০৭টি, শরীয়তপুরে ১৮ হাজার ৭৮৬টি, গোপালগঞ্জে ২৯ হাজার ২১৫টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ হাজার ৪০টি, চাঁদপুরে ৪৬ হাজার ৯১টি, লক্ষ্মীপুরে ২৩ হাজার ৩৩০টি, নোয়াখালীতে ৪০ হাজার ৭৩৯টি, ফেনীতে ২১ হাজার ৫০১টি, কক্সবাজারে ২৬ হাজার ৭৫০টি, পিরোজপুরে ২৯ হাজার ২৭৮টি, ঝালকাঠিতে ১৯ হাজার ১৩৮টি, বরগুনায় ২১ হাজার ৭১৭টি, পটুয়াখালীতে ৪০ হাজার ৮০৭টি, ভোলায় ২৫ হাজার ১৪৫টি, সুনামগঞ্জে ৩৫ হাজার ৫১২টি, হবিগঞ্জে ৩৩ হাজার ৪৭৫টি, মৌলভীবাজারে ৩২ হাজার ১০৬টি, পঞ্চগড়ে ২১ হাজার ৬২৯টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ৩১ হাজার ৭৯৭টি, নীলফামারীতে ৩৯ হাজার ৭৫২টি, লালমনিরহাটে ২৬ হাজার ১২২টি, কুড়িগ্রামে ৪৩ হাজার ২৯৪টি এবং গাইবান্ধায় ৫৫ হাজার ৫১৭টি আবেদন।

Join our Facebook Group to Get job update & discuss about Job related Topics

Beautiful World TV

About Job Education BD

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *