ব্রেকিং নিউজঃ বদলে যাচ্ছে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে। বিদ্যমান বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষা যোগ হচ্ছে। এর মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে।

এবার রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করায় পুরনো পদ্ধতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে এ-সংক্রান্ত একটি সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


Join our Facebook Group to Get job update & discuss about Job related Topics

সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংক

জানা গেছে, এবার রেকর্ডসংখ্যক আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমান পদ্ধতিতে শুধু বহুনির্বাচনী ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বিদ্যমান পদ্ধতিতে ২৪ লাখের বেশি প্রার্থীর মধ্যে শুধু বহুনির্বাচনীর মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা কঠিন।

ট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১-৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন এসেছে। ২৬ অক্টোবর শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষার প্রস্তাবনা রয়েছে।

 

বহুনির্বাচনী পরীক্ষার মাধ্যমে ৫০ হাজার প্রার্থীকে নির্বাচন করা হবে। পরে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। ফলাফলের ভিত্তিতে এ পরীক্ষার মাধ্যমে আসনপ্রতি তিনজনকে নির্বাচন করা হবে। এরপর তাদের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এবার ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে

 

তারা জানান, সর্বশেষ ‘শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ এ প্রায় ১২ লাখ প্রার্থীর বহুনির্বাচনী পরীক্ষা সারাদেশে ৩ হাজার ৬৬২টি কেন্দ্রে আয়োজন করা হয়। এবার দ্বিগুণ আবেদন আসায় পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে। এ পরীক্ষার জন্য ২০টি প্রশ্ন সেট তৈরি করা হলেও এবার তা বাড়ানো হতে পারে।

এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেনের সভাপত্বিতে মন্ত্রণালয়ের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে নিয়োগ পরীক্ষার ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াসউদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, মানসম্মত শিক্ষক নির্বাচনে সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কী কী পরিবর্তন আনা হবে সে বিষয়ে আগামীকালের সভায় সিদ্ধান্ত হবে।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এবার অধিক সংখ্যক আবেদন এসেছে। এ কারণে প্রথমে বহুনির্বাচনী পরে লিখিত পরীক্ষা। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হবে। লিখিত পরীক্ষা আয়োজনে বুয়েট এবং বহুনির্বাচনী পরীক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট বিজনেস অব অ্যাডমিনিসটেশনকে (আইবিএ) দায়িত্ব দেয়া হতে পারে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

Join our Facebook Group to Get job update & discuss about Job related Topics

If you want to get regular update about Education and jobs on facebook, Like our facebook page Job Education BD & get latest update from our site. Join our Facebook Group to Get job update & discuss about Job related Topics
Beautiful World TV

About Job Education BD

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *